সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
Home > Uncategorized > আগামীতে শাজাহান খান আর নৌকার টিকিট পাবেন না: বাহাউদ্দিন নাছিম

আগামীতে শাজাহান খান আর নৌকার টিকিট পাবেন না: বাহাউদ্দিন নাছিম

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, নৌকা নিয়ে এমপি-মন্ত্রী হয়ে যারা নৌকার বিরোধিতা করছেন তারা আগামীতে আর নৌকা মার্কা পাবেন না।গত মাসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্তই হয়েছে। বুধবার রাতে মাদারীপুর পৌর শহরের চরমুগরিয়া বন্দর এলাকায় সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের নৌকা প্রার্থীর পক্ষে

পথসভায় তিনি বক্তব্য দিচ্ছিলেন।বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, এবার সদর উপজেলায় নৌকার বিরোধিতা করায় চিরদিনের জন্য নৌকাবঞ্চিত হলেন শাজাহান খান। জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা আমার নৌকায় চড়ে নৌকার বিরোধিতা করেন তাদের আর কোনোদিন

নৌকায় জায়গা দেব না।আওয়ামী লীগের এই সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের সমালোচনা করে বলেন, ‘শাজাহান খান এখন নৌকা ছেড়ে আনারস ধরেছেন। প্রয়োজনে তিনি নৌকা করেন। স্বার্থে না লাগলে নৌকা ভুলে যান। ২০০১ সালে মাদারীপুর-২

আসনে এমপি হিসেবে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন বোর্ড তাকে মনোনয়ন দিয়েছিল।কিন্তু এই শাজাহান খান নৌকার মনোনয়ন না পেয়ে তিনি ছুটে গিয়েছিলেন তারেক রহমানের হাওয়া ভবনে। কোনো আওয়ামী লীগ নেতা কি তারেক রহমানের হাওয়া ভবনে ছুটে যেতে

পারেন? কিন্তু তিনি সেখানে গিয়েছিলেন ধানের শীষের মনোনয়ন আনতে।সেদিন আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা, বঙ্গবন্ধুর ছবি, নৌকা প্রতীককে অসম্মান করেছিলেন এই শাজাহান খান। তিনি মন্ত্রী হয়ে কোনো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পাশে থাকেননি। থেকেছেন তার গণবাহিনী ও জাসদের নেতাকর্মীদের নিয়েই।তিনি কখনোই আওয়ামী লীগের চেতনা ধারণ করেননি। সব সময় নৌকায় চড়ে সুবিধা নিয়ে এখন নৌকার বিরোধিতায় নেমেছেন। আজকে সময় এসেছে এই দেশবিরোধী, চেতনাবিরোধী, আওয়ামীবিরোধী অপশক্তিকে প্রতিহত করা।এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় প্রার্থী কাজল কৃষ্ণ দে, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পাভেলুর রহমান শফিক খান, পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালিদ হোসেন ইয়াদ, জেলা যুবলীগের সভাপতি আতাহার সরদার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রুবেল খান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন অনিক প্রমুখ।