মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২০
Home > জাতীয় > করোনা বিপর্যয়ে অসহায় মানুষদের পাশে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

করোনা বিপর্যয়ে অসহায় মানুষদের পাশে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

জাহিদ আহসান
শিক্ষানবিস প্রতিবেদক ॥
গাজীপুর: প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের এই সংকটময় মূর্হুতে রাতের অন্ধকারে গরিব, দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষদের মাঝে খাদ্য ও সেবা সুরক্ষা সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

প্রায় গত এক সপ্তাহ যাবত রাতের আধাঁরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে তার কর্মীবৃন্দরা এ খাদ্য সামগ্রী ও সেবা সুরক্ষা সামগ্রী বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন। এছাড়াও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চাচা, গাজীপুর মহানগর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: মতিউর রহমান মতি নিজ কাঁেধ করে জনসমাগম এড়াতে রাতের আধাঁরে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে গরিব দু:খীদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের জয়দেবপুর, টঙ্গীর কেরানিরটেক বস্তি, কো অপারেটিভ ব্যাংক মাঠ বস্তি, নোঁয়াগাও রেল কলোনি ও আশেপাশের এলাকায় এ কার্যক্রম চালানো হয়।

গত শুক্রবার গাজীপুর মহানগরের ২৬নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকার পাঁচটি ইউনিটের প্রায় ৬০০ পরিবারের মাঝেও এমপি রাসেলের দেয়া ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ ওয়ার্ডে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পর দায়িত্বে ছিলেন ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: মনিরুল ইসলাম খোকন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী তাঁর সকল নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা কাউকে মুখ দেখে আমার দেয়া ত্রাণ সামগ্রী দিবেন না। এই দুর্যোগের সময়ে কে আমাদেরকে ভোট দিয়েছে, কে দেয়নি সেটা দেখে খাদ্য সামগ্রী দিবেন না। কে ভোটার, কে ভোটার না এসব দেখার সময় এখন না, মানবতার স্বার্থে আমার দেয়া ত্রাণ সামগ্রী অসহায় মানুষদের কাছে পৌঁছে দিবেন।

গুজব সম্পর্কে তিনি বলেন, কেউ গুজবে বিশ্বাস করবেন না। এখন করোনা নিয়ে প্রচুর গুজব ছড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। গুজবগুলো এড়িয়ে চলবেন আর প্রকৃত সত্যগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দিবেন।

দেশের সকল স্টেডিয়াম প্রয়োজনে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে বলেও গত ৩০ মার্চে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের সকল স্টেডিয়াম বিশেষ করে বিশেষ করে ইনডোর স্টেডিয়ামসমূহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের চাহিদা মাফিক করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করতে পারবে। আমরা ইতোমধ্যে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের প্রধান স্টেডিয়ামসমূহে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আবাসনের ব্যবস্থা করেছি।

এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও মানুষদেরকে সচেতন ও সর্তক করতে সর্বদা তৎপর রয়েছেন তিনি। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় নি¤œ বিত্তদের পাশে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।