রবিবার, জানুয়ারি ১৯, ২০২০
Home > খেলা > পাকিস্তানে শুধু টি-টোয়েন্টি খেলার অন্য কারণও আছে বাংলাদেশের

পাকিস্তানে শুধু টি-টোয়েন্টি খেলার অন্য কারণও আছে বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক ॥
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মাঝেই জোর আলোচনা চলছে টাইগারদের পাকিস্তান সফরের ব্যাপারে। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসে শেষদিকে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের।

কিন্তু সরকারের নিরাপত্তাবিষয়ক সবুজ সংকেত, খেলোয়াড়-কোচদের সিদ্ধান্ত এবং দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যকার সমঝোতার অভাবে এখনও সুতোয় ঝুলছে বাংলাদেশের পাকিস্তান সফরের ভাগ্য। সবশেষ তথ্য হলো, পাকিস্তানে গিয়ে ৭-৮ দিনের বেশি থাকতে রাজি নয় বাংলাদেশ।

যার ফলে সেখানে শুধু ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচই খেলতে রাজি বিসিবি। সঙ্গে যে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ, সেটি পরে বা নিরপেক্ষ কোনো ভেন্যুতে খেলার পক্ষেই বাংলাদেশের মত। তবে এটি যে শুধু নিরাপত্তাজনিত কারণেই নয়, বরং আছে ক্রিকেটীয় ব্যাখ্যাও- সেটিই আজ জানালেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।

প্রধান নির্বাচকের মত, ‘বিপিএলকে সামনে রেখে প্রায় গত দেড় মাস যাবত সব ক্রিকেটারই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সঙ্গেই সখ্য তৈরি করে ফেলেছে। অনুশীলন, শারীরিক-মানসিক প্রস্তুতি, গেমপ্ল্যান, ম্যাচ পরিস্থিতি- সবকিছুই ছিলো বিশ ওভারের ক্রিকেট কেন্দ্রিক। গত এক-দেড় মাসে গড়পড়তা ১২-১৩টি কুড়ি ওভারের ম্যাচ খেলার পর, হুট করে কয়েকদিনের ব্যবধানে টেস্ট খেলা সহজ কাজ নয়। খেলাটা পাঁচ দিনের বলেই শুধু নয়, তার গতি-প্রকৃতি, মেজাজ, ধরন- সবই ভিন্ন। প্রস্তুতিটাও অন্যরকম।’

তাই মিনহাজুল আবেদিন নান্নু মনে করেন, শুধু নিরাপত্তার কারণেই নয়, কোনো প্রস্তুতি ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের এখন পাকিস্তান সফরে টেস্ট খেলাটাও কঠিন।

প্রধান নির্বাচক নান্নুর এ ব্যাখ্যা অমূলক নয়। কারণ বাংলাদেশের পাঠানো সফরসূচিতে যে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের কথা বলা হয়েছে, তার প্রস্তাবিত সূচি হলো ২৩, ২৫ ও ২৭ জানুয়ারি। এর সঙ্গে টেস্ট সিরিজ খেলতে চাইলে কোনো প্রস্তুতি নেয়ারই সুযোগ পাবে না বাংলাদেশ। কেননা বিপিএলই শেষ হবে ১৭ জানুয়ারি।

কাজেই প্রধান নির্বাচকের কথা ও সামগ্রিক অবস্থা বিচার-বিবেচনায় পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, শুধু ক্রিকেট বোর্ডই নয়, টিম ম্যানেজম্যান্ট ও নির্বাচকরাও টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। মিনহাজুল আবেদিনের শেষ কথা, ‘আমরা ক্রিকেট বোর্ডের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায়।’

উল্লেখ্য, বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন আইসিসির সভায় অংশ নিতে অবস্থান করছেন দুবাইতে। সেখানে পদাধিকার বলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান এহসান মানিরও থাকার কথা। ধারণা করা হচ্ছে, দুই দেশের বোর্ডপ্রধানদের মধ্যে সেখানে কথাবার্তা হবে এবং সেখানেই একটা সমাধান হয়েও যেতে পারে। জাগোনিউজ।