রবিবার, জুন ১৬, ২০১৯
Home > গ্যালারীর খবর > বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শ্রদ্ধা

বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শ্রদ্ধা

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা জানান চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।

তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল এ সময় গার্ড অব অনার প্রদান করেন। বিউগলে বেজে ওঠে করুন সুর। প্রধানমন্ত্রী বেদির সামনে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে তিনি ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে ফাতেহাপাঠ এবং বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমীর হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য ফারুক খান, শেখ হেলাল, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল, শেখ সারহান নাসের তন্ময়, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান, তিন বাহিনীর প্রধান, র‌্যাবের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু ভবনে চলে যান।

এর আগে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে গণভবন থেকে তেজগাঁও বিমান বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেন শেখ হাসিনা। বেলা ১১টায় বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারযোগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। বেলা পৌনে ১২টায় টুঙ্গিপাড়া হ্যালিপ্যাডে অবতরণ করেন। ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে সমাধি সৌধ কমপ্লেক্সে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যাহ্ন ভোজের পর হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করার কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

এদিকে, বেলা পৌনে ২টায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বেলা ১টা ২০ মিনিটের দিকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা তিনটি বাসযোগে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান।

মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে এম আব্দুল মোমেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, এলজিআরডিমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ হুমায়ুন, গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, সমাজ কল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহম্মদ, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর, রেলপথমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার; প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহেদ আহসান রাসেল, বিদ্যুৎ জালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহারিয়ার আলম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আহমেদ পলক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মুরাদ হাসান, সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান ও বে-সামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। উপমন্ত্রীরা হলেন- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন্নাহার, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ কাজী নিশাত রসুল প্রেরিত গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসককে দেয়া এক ফ্যাক্স বার্তায় জানানো হয় যে, প্রধানমন্ত্রীর টুঙ্গিপাড়া সফর কর্মসূচির কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়।